1. dipu3700@gmail.com : dipu :
  2. johir.upakul@gmail.com : Johirul Islam : Johirul Islam
  3. minto.raipur@gmail.com : Mahbubul Alam : Mahbubul Alam
  4. upakulprotidin@gmail.com : Upakul Protidin : Upakul Protidin
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক বিরোধে শিশুর শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশের অভিযোগ

উপকূল প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ মে, ২০২০ | সময়: ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
  • ২৪৯ জন দেখেছেন

স্টাফ রিপোর্টার : লক্ষ্মীপুরের চর পার্বতীনগর গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে দেড় বছর বয়সী হাবিব নামে এক শিশুর শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বুধবার (২৭ মে) দুপুরে শিশুর দাদী রহিমা বেগম অভিযুক্ত প্রতিবেশী খুকি ও অচেনা আরও ৩ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযুক্ত খুকি বেগম (৪০) সদর উপজেলার চর পার্বতীনগর গ্রামের আবুল কাশেমের স্ত্রী। আক্রান্ত শিশু হাবিব একই গ্রামের মো. নুর নবীর ছেলে।

জিডি ও শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চরপার্বতীনগর গ্রামের রহিমা বেগমদের সঙ্গে প্রতিবেশী খুকিদের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে ১১ মে বিকেলে খুকি কৌশলে রহিমার নাতি হাবিবকে তার ঘরে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে খুকি শিশুটির শরীরে ৩টি বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করে। এতে বিষক্রিয়া হয়ে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছে।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, দিনদিন শিশুটির অবস্থার অবনতি হচ্ছে। এছাড়া খুকির বিরুদ্ধে রহিমার অপর দুই নাতি লাবিব ও রহমানকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার দিনই রহিমা সদর থানায় অভিযোগ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ১৩ বছর আগে খুকি তার ভাসুরের ছেলে তারেক হোসেনকে হত্যা করে চালের ড্রামে বন্দি করে রাখে। পরে লোক দিয়ে তারেকের লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। খুকির পরকীয়া প্রেমের ঘটনা দেখে ফেলায় ঘটনাটি ঘটিয়েছিল সে। স্থানীয়ভাবে এই অপরাধে বেশ দুর্নাম রয়েছে তার।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পেয়েই ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু শিশুটির মা তার সঙ্গে হাসপাতালে রয়েছে। এজন্য কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। শিশুর মায়ের কাছে ওই ইনজেকশনগুলোর সিরিঞ্জ আছে বলে শুনেছি। তিনি লক্ষ্মীপুর ফিরলে সেগুলো সংগ্রহ করে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ :
tools, webmaster icon কারিগরি সহযোগিতায় : মো: নজরুল ইসলাম দিপু, মোবাইল: 01737072303
কারিগরি সহযোগিতায়:লক্ষ্মীপুর ওয়েব সলুয়েশন