মেহনতি মানুষের দৈনিক

আজ ,

লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত ।। রেজি: নং : চ- ৬৩৯/১২।।

রায়পুরের ইউএনও’র “স্নেহের আঁচল”

করোনায় আতংক নয়,
সচেতনতায় জয়…..!!

করোনায় সচেতন করার পাশাপাশি ১৩ বছরের শিশুর আতংক দূর করার প্রত্যয়ে পৌঁছে দেয়া হয় “স্নেহের আচঁল”…….!!

গতকালকেও যে ছেলেটি বন্ধুদের সাথে দুরন্তপনায় ফুটবল খেলেছে মাঠে, গোসল করেছে পুকুরে, বাজারে গিয়েছে বাবা’র সাথে, রাত হতে না হতেই তার বাড়িটাকে করা হলো লকডাউন। রাতের অন্ধকারেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালের ‘আইসোলেশন কেবিনে ‘। ষষ্ঠ শ্রেণির ১৩ বছরের এই ছেলে শিশুর শরীরে বাহক হয়েই করোনা ভাইরাস প্রথমবারের মতো রায়পুর উপজেলায় তার আগমনের বার্তা পৌঁছে দেয় এভাবে। সকালে ছোট্ট এই বাচ্চাটির কান্নাকাটির প্রেক্ষিতে তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলে আলাদা কক্ষ, বাথরুমের ব্যবস্থা করে স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রশাসনের উপস্থিতিতে ছেলেটিকে তার বাড়ি পৌঁছে দেয়া হয়। তার বাড়িসহ আশেপাশের ০৬টি বাড়ির ১৭টি পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে। পুরা এলাকায় লাল পতাকা দিয়ে মসজিদে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়েছে। সকলেই যেন লকডাউন মেনে চলে সে জন্য গ্রাম পুলিশ দিয়ে পাহারার ব্যাবস্থার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

করোনা পজেটিভ হওয়ায় দ্রুত আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে পরিবারের সকলকে যথাযথভাবে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শিশুটির ভেতরের আতংককে দূর করতে এবং যথার্থ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তাকে উপলব্দি করে রোগীকে করোনা মোকাবেলায় উৎসাহ প্রদানের জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগেই রোগীর কাছে পৌঁছে দেয়া হয় “স্নেহের আঁচল” শিরোনামে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, টিস্যু, ডেটল সাবান, ট্যাং,
আদা, তরমুজ, আপেলসহ লেবু, কাঁচা আম, মাল্টা তথা করোনা প্রতিরোধে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের উপহার সামগ্রী। এভাবে সবাই সচেতনতার পাশাপাশি স্নেহের পরশে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসুন, এখন’তো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে আমাদের।

জনসেবায় সর্বক্ষণ
জনগণের দোরগোড়ায় প্রশাসন।

তথ্যসূত্র: রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ফেসবুক টাইমলাইন।

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *