1. dipu3700@gmail.com : dipu :
  2. johir.upakul@gmail.com : Johirul Islam : Johirul Islam
  3. minto.raipur@gmail.com : Mahbubul Alam : Mahbubul Alam
  4. upakulprotidin@gmail.com : Upakul Protidin : Upakul Protidin
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

রায়পুরের প্রবাসীকে ফরিদগঞ্জে পিটিয়ে জখম, ভেস্তে গেছে ডাকাত সাজানোর চেষ্টা!

মোঃ মাহবুবুল আলম মিন্টু
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১ | সময়: ০১:৫২ অপরাহ্ণ
  • ৭৫৩ জন দেখেছেন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের এক প্রবাসীকে শালিসী বৈঠকের কথা বলে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২৫ মে) বিকাল ৬টার দিকে ফরিদগঞ্জের পশ্চিম আলোনীয়া গ্রামের জাফর হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দেনা-পাওনা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই বিরোধ চলে আসছিল রায়পুরের সুজন খান ও জাফর হাওলাদারের। গুরুতর জখম সুজন খানকে (৪৫) পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়।

আহত প্রবাসী সুজন খান বলেন, আমি ও জাফর হাওলাদার দীর্ঘদিন থেকেই সৌদী আরবের দাম্মাম শহরে একত্রে ব্যবসা-বাণিজ্য করতাম। তার কাছে আমার প্রায় এক কোটি ২৮ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এ টাকা না দিয়েই তিনি বাড়িতে চলে আসেন। এ নিয়ে একাধিকবার শালিসী বৈঠক হয়। তিনি টাকা দেই-দিচ্ছি করে আমাকে ঘুরাচ্ছেন। মঙ্গলবার তাদের বাড়িতে পূর্ব নির্ধারিত শালিসী বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন অভিভাবকসহ আমি জাফরের বাড়িতে যাই। তারা আমাকে সেখানে আটক করে রাখে। রায়পুর রায়পুর পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন সর্দার ওই বাড়িতে গিয়ে আমাকে মারধর করে হত্যার চেষ্টা চালায়। হোসেনের নেতৃত্বে ৭/৮ জন আমাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। মারধর শেষে আমার কাছ থেকে অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করে। এতেও কাজ না হওয়ায় আমাকে ডাকাত সাজিয়ে পুলিশে সোপর্দ করার চেষ্টা করে। পুলিশ এসে আমাকে তাদের রোষানল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। থানায় বসে বিষয়টি মিমাংসা করা হবে বলে উভয় পক্ষ মুচলেকা দেওয়ায় ও তাদের অভিযোগের সত্যতা না মেলায় পুলিশ আমাকে ছেড়ে দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে জাফর হাওলাদারের বক্তব্য জানার জন্য তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে বার বার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে রায়পুর পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন সর্দার মুঠোফোনে বলেন, জাফর হাওলাদারের পক্ষের লোকজন সুজনকে মারধরের চেষ্টা করলে আমি তাকে রক্ষা করেছি। আমার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ সঠিক নয়।

ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবদুর রাজ্জাক মুঠোফোনে বলেন, শালিসী বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। বৈঠকে কেউ একজন সুজনের চোখে ঘুষি মারলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে আমরা সুজন খানকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়েছি। আগামী শুক্রবার উভয়পক্ষকে নিয়ে ওসি সাহেবের নেতৃত্বে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুন ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ :
tools, webmaster icon কারিগরি সহযোগিতায় : মো: নজরুল ইসলাম দিপু, মোবাইল: 01737072303
কারিগরি সহযোগিতায়:লক্ষ্মীপুর ওয়েব সলুয়েশন